নব বরষা


কে ভাই তুমি? আছ কেমন? মাঝে মাঝে দেখা সাক্ষাৎ হয় বইকি। কিন্তু ব্যাস্ত থাকি তো, হাই হেলো বলা হয়ে ওঠেনা। এই আজকে ছুটির দিন, কাজকর্ম নেই, অর্থাৎ কিনা খুঁজেপেতে কাজকর্ম জোগাড় করতে মোটেই ভালো লাগছে না। অনেক তো হল। সেই বকরবকর কচরমচর লেনদেন গিগাবাইট সময় টাইট প্রচুর হল, হয়েও যাবে। নদীর জল শুকোতে পারে, কাজ করার ঘামের জল শুকবে না। ধন্যি বাবা মানুষ জাতি। শালা, শীততাপ নিয়ন্ত্রনেও কপালের ঘাম শুকচ্ছে না!!

ধুত্তেরি। সত্যি বলতে সেই কলেজ জীবনের পর ধুত্তেরি কথাটা বেমালুম ভুলেই গেছিলাম, সেই ৩৮ বছর আগের কথা। ভাবা যায়? কলেজ ছেড়ে ৩৮ বছর জীবন কেটে গেল, মন খুলে একবার ধুত্তেরি ও বলতে পারলাম না? ভাই, তোমাদের কাছে এসে একবার ধুত্তেরি তো বলি, তারপর সটান ঘাসে শুয়ে পড়ি। ওআও, চিল ম্যান!!

ভাই তোমাদের ব্যাপারটা বেশ সহজ। সূর্য উঠলেই কেল্লা ফতে। নো মোর কমপ্লিকেশন। তাই কমপ্লিকেশন এর জটগুলোকে ধুত্তেরি বলে, কেমন আছ ভাই? তোমার নামটা জেন কি? গঙ্গাফরিং? এই ‘গঙ্গা’ কেস টা কি বলত? বিজেপি নাকি? ভাগ্যিস সূর্যের কোন ধর্ম নেই, আর কোন বিটকেলে পাটকেলে ছ্যাঁচড় জোচ্চোর হুমকিবাজ আর বোমাবাজ রাজনীতির থেকে বাইরে তোমরা কিন্তু আছ বিন্দাস। খাও দাও ফুর্তি কর। এই শালা মানুষগুলো পড়াশোনা করে শেষমেশ কিন্তু খচ্চর ই তৈরি হচ্ছে, খচ্চর সমাজ, খচ্চর দেশ আর খচ্চর রাজ্য দেশী এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি। শালা ঝামেলাটা হল এই, সাহস করে ধুত্তেরি ও বলা যাচ্ছেনা!

না ভাই ভীমরুল, বেশ তো ডানা মেলে ফুলে ফুলে কেচ্ছা করে যাচ্ছ, ফল ফলাচ্ছ যথেচ্ছ। আর আমরা কিনা চোখ কচলাইতে কচলাইতে আহা উহু করিয়া দেখিয়াই যাইতেছি। ধুত্তেরি, কোন মানে হয়? পরের জন্মে তোমাদের কাছেই ফিরে যেতে হবে দেখছি, এমনিতেই বন জঙ্গল ঝোপঝার নদীনালা আমার বিশেষ পছন্দের, আর সূর্যের সঙ্গে সঙ্গে বাঁচা, এই সরাসরি জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক, সত্যি ভাই সৃষ্টির সঙ্গে তোমাদের সম্পর্কটাই অনেক নিবিড় আর সম্পূর্ণ। আমাদের জীবনটা অনেক জেলো, সহস্র খণ্ডিত, অসম্পূর্ণ।
ভালো থেকো তোমরা সবাই।
শুভাশিস

This entry was posted in Bangla Section. Bookmark the permalink.

Leave a Reply